ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধের সহজ উপায় জানালেন অতিরিক্ত সচিব

হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সর্বত্র ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন বন্ধে জোরালো ভূমিকা রেখে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন।

তবে স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন পক্ষের রোষানলে পড়ায় গত মার্চ মাসের শেষদিকে তাকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে বদলি করে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে যুক্ত করা হয়।

রেলে যোগদানের পর থেকেই যাত্রী হয়রানি কমাতে যাত্রীদের পরামর্শে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিচ্ছেন সরকারের এই কর্মকর্তা।

নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব বিষয়ে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন।

এবার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করতে ও যাত্রী শনাক্তের দুইটি সহজ পথের কথা জানালেন তিনি।

শুক্রবার রাতে এ নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেয়া একটি পোস্ট পাঠকের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো-

‘যাক যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য একটি সহজ রাস্তা মনে হয় বের করা গেছে।

১) রেজিস্ট্রেশন করার সময় নির্বাচন কমিশন এনআইডি সার্ভারের সঙ্গে যাত্রীর এনআইডি ভেরিফাই করে নিতে হবে। সঙ্গে একটি মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করতে হবে। মোবাইলে আসা ফিরতি মেসেজে দেয়া কোড নাম্বার দিয়ে টু ওয়ে অথেন্টিকেশন করতে হবে। এরপর আপনি পাবেন আপনার আইডেন্টিক্যাল পিন নাম্বার। যেটা সবসময় টিকিট করতে ব্যবহার করতে হবে। এই মোবাইল আপনাকে ট্রেনে সঙ্গে রাখতে হবে।

২) এনআইডি ভেরিফিকেশনের সময় আপনার ছবিসহ সব তথ্য রেল সার্ভারে চলে যাবে। ট্রেনে টিকিট চেকার তার মোবাইল অ্যাপ্স থেকে বা যাত্রীর মোবাইলের অ্যাপ্স থেকে যাত্রীর পিন নাম্বার দিয়ে রেল সার্ভার থেকে যাত্রীর ছবিসহ তথ্য যাচাই করে নেবেন।

দুটি অপশন থাকছে। একটি সমস্যা হলে অন্যটি।

এত যাত্রী চেক করার লোক কোথায় রেলে? আপনাদের এই সিস্টেমে যেতেই হবে। কোন ট্রেন, কবে কখন চেক করা হবে সেটা তো রেলের সিদ্ধান্ত। অবস্থা ভেদে সিদ্ধান্ত চেঞ্জ হবে।

রেলের টিকিট কালোবাজারি দূর করতেই হবে। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ।

** বাবারে বাবা!! এনআইডি যেন সাত রাজার ধন!’

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

Back to top button